যিশু সম্পর্কে জানা অজানা নানা কাহিনী

যিশু সম্পর্কে জানা না-জানা তথ্য
SHARES
Share on FacebookShareTweet on TwitterTweet

(এই প্রতিবেদনটি কোনো ধর্ম বিশ্বাস কে আঘাত করার জন্য নয়। এটি একটি তথ্যমূলক বিশ্লেষণ মাত্র। সমগ্র তথ্যের দায় লেখকের নিজস্ব)

সোমরাজ শূর : “কুন্তী থেকে মেরী” কাল্পনিক ঈশ্বর দ্বারা সন্তান ধারণ এর উদাহরণ অনেক ধর্মেই আছে, যীশুর বিষয়ে প্রচলিত অনেক গল্প আছে যে মেরী ভার্জিন ছিলেন এবং ঈশ্বরের কৃপায় গর্ভবতী হন ও যিশুকে জন্ম দেন. সে হিসেবে মেরী কুমারি মাতা. যদিও বেশিরভাগ ইহুদী এ কাহিনিকে মিথ্যে মনে করে..

যিশুর জন্ম সম্পর্কে কয়েকটি মতবাদ … জেরুজালেমের সলোমন মন্দিরের এর প্রধান ছিলেন মেরীর আপন মেসো সখারিয়া, মেরী থাকতো তার মাসি মেসোর কাছে এবং টেম্পল অফ সলোমনে মন্দিরের দাসীর কাজ করতো. মেরী নিজেই নিজের ভার্জিন প্রেগনেন্সির প্রচার করেন, শিশুটি ঈশ্বরের কি না সে ব্যাপারে সলোমন মন্দিরের এর প্রধান হিসেবে সখারিয়া কে জিজ্ঞেস করা হলে, তিনি বলেন যে, ঈশ্বরের কথায় সন্দেহ প্রকাশ করাতে ঈশ্বর তাকে ‘বোবা’ বানিয়ে শাস্তি দিয়েছেন. ( ঈশ্বরের আর কোনো কাজ নেই, আরো এরকম মেরী দের না খুঁজে একটা অথর্ব বুড়ো কে শাস্তি দেবে ). এদিকে বাইবেল মতে যোষেফের সঙ্গে তাঁর মা মরিয়মের বাগদান হয়েছিল, কিন্তু তাঁদের বিয়ের আগেই জানতে পারা যায় যে ঈশ্বরের দ্বারা মরিয়ম গর্ভবতী হয়েছেন, ভাবী স্বামী যোষেফ ছিলেন ন্যায়পরায়ণ লোক তিনি মরিয়মকে লজ্জায় ফেলতে চাইলেন না, তাই তিনি মরিয়মের সাথে বাগদান বাতিল করে গোপনে তাকে ত্যাগ করতে চাইলেন৷ তিনি যখন এসব কথা চিন্তা করছেন, তখন এক দূত স্বপ্নে তাঁকে বললেন, “যোষেফ, দায়ূদের সন্তান, মরিয়মকে তোমার স্ত্রীরূপে গ্রহণ করতে ভয় করো না, এই কারণে তার গর্ভে যে সন্তান এসেছে, এই সন্তান ঈশ্বর পুত্র এবং ঈশ্বর দ্বারা প্রেরিত”.. আসলে ভয় ছিল তার কারণ বিবাহ বহির্ভুত যৌনতায় ইহুদীরা পাথর মেরে হত্যা করতো দোষী কে, কিন্তু মেরী তথা যিশুর বংশধরেরা ছিলেন ক্ষমতাবান ধর্মপ্রচারক ও রাজবংশীয়. মেরীর সাথে যোসেফের বিয়ে যখন ঠিকঠাক, তখনি মেরীর গর্ভে সন্তান এলো. ইহুদিদের বিরাট অংশ মনে করতে থাকে, মেরী’র সাথে সখারিয়া বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্কের ফল মেরির গর্ভের সন্তান. সখারিয়ার স্ত্রী এলিজাবেথও সেক্সের এ ঘটনাটি জেনে যায়, তবে সম্ভবত স্বামী ও পরিবারের সম্মানের কারণে বিষয়টা মেনে নেয় সে. ক্ষমতাশালী পরিবার হওয়ায় ব্যাপারটা ইশ্বরের ইচ্ছা বলে চালিয়ে দিয়ে মেরী – সখারিয়াসহ তাদের পরিবার পার পেয়ে গিয়েছিলো. কারণ মেরীর পিতা, মা এর বোন এলিজাবেথ ও মেসো সখারিয়া সবাই সেই সময়ে সমাজে প্রভাবশালী ধর্ম প্রচারক ছিলেন.. ইহুদিদের বিচারসভার ঠিক আগের রাতেই মেরী যোসেফের সাথে পালিয়ে বেথেলহেমে চলে যান. মেরী যদি সৎ হত সে পালাতো না, বরং ঈশ্বর তার সন্তানের পরিচয় তুলে ধরতো, গ্যাব্রিয়েল এর মাধ্যমে. কারণ গ্যাব্রিয়েল ছিল কাঁঠালি কলা, সেই সময়ের যে কোনো ধর্মীয় সামাজিক ঘটনায় তার উপস্থিতির রটনা বেশ চোখে লাগার মতন. এমনকি সমাজ বহির্ভুত এ শিশু যখন জন্ম নিলো গোয়ালঘরে, তখন ও বেথেলহেমের নাজারেথে পিতাহীন এ শিশুর স্থানও হলোনা কোথাও. কিন্তু মেরী পালানোর সুযোগ পেয়েছিলো, ইহুদিরা হত্যা করে সখরিয়াকে. যার স্বীকৃতি ইসলামেও রয়েছে. ইসলামে সখরিয়াকে নবী আখ্যা দেয়া হয়েছে বিভিন্ন সূত্রে. এদিকে ইহুদী রা বিশ্বাস করে সখরিয়াই হচ্ছে যিশুর প্রকৃত পিতা. ইসলামও অনেক ভাবে চেষ্টা করেছে প্রমান করার যে খ্র্রিস্ট ধর্ম তথা তাদের ম্যাসেঞ্জার রা কোনো না কোনো ভাবে ইসলামের সাথেই যুক্ত বা ইসলাম থেকে এসেছে, নবী মুহম্মদও নিজেকে যীশু খ্রিস্টের উত্তরসূরি করেছেন নানান জায়গায় যাতে খৃস্টানরা তাকে তাদের নবী হিসেবে মেনে নেয়. যদিও খৃস্টানরা কখনো নবী মুহাম্মদকে নবী হিসেবে কখনো স্বীকার করেনি আবার ওদিকে যীশু ও নিজেকে মসীহ দাবী করলেও, ইহুদীদের স্বীকৃতি পাননি. …..

ইসলাম ধর্মাবলম্বী দের দাবী মতে যীশুর সমাধি কাশ্মীরে রাখা আছে, এটা নিয়ে একটা বই ও তারা প্রকাশ করেছিল উর্দু তে ১৮৯৯ সালে .. বই টির ডাউনলোড লিংক ( https://goo.gl/2tD73n )

এদিকে আমেরিকান বাইবেল গবেষক জোসেফ অ্যাটউইল এর তথ্য মতে প্যালেস্টাইনের ইহুদী রা যীশু কে কোনোদিনই মাসিহা মনে করেনি, এদিকে প্যালেস্টাইন এর তখনকার রোমান শাসকেরা ইহুদী বিপ্লবে ব্যতিব্যস্ত হয়ে যীশু নামক মসিহ চরিত্র রচনা করেন যাতে ইহুদী দের কন্ট্রোলে রাখা যায়, এবং আইনকানুন এবং প্রশাসনে কোনো অসুবিধা না হয়. আসলে খ্রিষ্টিয়ানিটি কোনো ধর্মীয় মত নয়, প্রশাসনের বাস্তব বুদ্ধি সম্পন্ন সরকারী কর্মধারা বজায় রাখতে, তথা নাগরিকদের অসহিষ্ণুতা প্রশমিত করতে, বলা যায় সমাজ পরিচালনার উদ্দেশ্যেই খ্রিষ্টানিটির জন্ম. তো একজন মসিহ চরিত্র সমাজে থাকলে আর তাকে কন্ট্রোল করতে পারলে প্রশাসনিক কাজে সুবিধা হবে ভেবেই যীশু চরিত্রের সৃষ্টি, এই চরিত্র প্রচারের রোমানেরা সমাজের উচ্চ পদস্থ সম্মানীও ব্যক্তিদের করমুক্ত করার লোভ ও দেখাতেন যাতে তারা সমাজের যীশুর মাহাত্ম প্রচার করে আর রোম সম্রাট সিজারের প্রতি আনুগত্য দেখায়.

তবে যীশু ঐতিহাসিকদের লেখাতেও অনেক ফাক থেকে গেছে, যীশুকে নিয়ে বা তদানীন্তন সময়ের যে ঘটনাগুলি র গল্প পাওয়া যায় সেই লেখাগুলি স্টাডি করলে দেখা যায় যে জেসাসের জীবনী রচিত হয়েছিল রোমান সম্রাটের টিটাস ফ্লেভিয়াসের উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা, কাহিনীকে সম্বল করে. ক্রিশ্চান স্কলাররা ইচ্ছেকরে এড়িয়ে গেছে এই ব্যাপার টা. কারণ প্রথম অফিসিয়াল পোপ হিসেবে যার মমি পাওয়া যায় তিনি সেন্ট পিয়াস (St. Pius) এর মমি কে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মাধ্যমে এবং খ্রিষ্টিয়ানিটির নানান পুঁথি থেকে জানা যায় ১৫৫ সালে মারা যান. ইতালির অ্যাকুইলিয়া (Aquileia) তে ক্যাথেড্রালে রাখা এই মমিতে অনেক পুরোনো পুঁথি পাওয়া যায়, পুঁথিগুলি নানান মাসিহা যেমন হোরাস, মিথরা, ডিওসিয়াস ইত্যাদি দের কাহিনীর পাশাপাশি নাজারেথ এর কিংবদন্তি কে প্রমান করে. এই জেসাস অফ নাজারেথ ছিলেন হিব্রু পবিত্র গ্রন্থের ভবিষ্যৎ বানী করা মসিহা. ইনিই যে যীশুর নামে পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন, তা তাঁর বর্তমান সমাধি আবিষ্কারের মাধ্যমে উঠে আসে. এছাড়াও মজার বেপার যীশু র জীবন ও কিন্তু এই বাকি মসিহা দের জীবনের সাথে মিলে যায় কোনো এক মহাপুরুষ হিসাবে প্রতিপন্ন করার সাবলীল ধারায়!!

যিশু সম্পর্কে জানা না-জানা তথ্য

আর তর্কের খাতির যদি ধরি জেসাস ঐতিহাসিক মানব ছিলেন, তবে তাঁর সোনালি চুল, নীল চোখ, ফর্সা ত্বক নাহয়ে তৎকালীন অধিবাসীদের মত কালো-কোঁকড়ানো চুল, বাদামী ত্বক হত. নীল চোখ কোনোদিন হত না. এছাড়া স্রেফ পাবলিক সেন্টিমেন্ট কুড়োতে এবং তাঁদের পাপ যীশুর উপর চাপিয়ে তাঁর আত্মত্যাগের মাহাত্ম প্রচার করতে যীশুকে ক্রুস বিদ্ধের গল্প প্রায় ১৫০০ বছরের পুরানো, যা আরও পুরানো হতে পারে, টার্কিতে পাওয়া এমন এক বাইবেল যা থেকে আরও একবার পরিষ্কার ভাবে প্রমান হয়, যীশুকে ক্রুসবিদ্ধ করা হয়নি. ২০০০ সালে এই বাইবেল আবিষ্কারের পরে আঙ্কারার এথনোগ্রাফিক মিউজিয়মে রাখা ছিল গোপনে..

যিশু সম্পর্কে জানা না-জানা তথ্য
যিশু সম্পর্কে জানা না-জানা তথ্য

আবার প্যালেস্টাইনের মতে তাদের কাছে যীশু কে নিয়ে যা প্রমাণিত ডকুমেন্টস আছে তা থেকেও একটা ধোঁয়াশা থেকে যায় যীশুর জীবনের ১৩ বছর বয়স থেকে ২৯ বছর অব্দি তিনি কোথায় ছিলেন তা নিয়ে. অনেক ভিন্ন মতের মধ্যে সবচেয়ে আশ্চর্যের মতামত বৌদ্ধদের, বৌদ্ধ মতে যখন কোনো লামা মারা যান, জ্ঞানী মানুষজন তারা দেখে আর অন্যান্য লক্ষণ দেখে সিদ্ধান্তে আসেন, কোন দিক বরাবর সুদুর পথ হেঁটে গেলে এক নবজাতকের দেখা পাওয়া যাবে, যার মধ্যে লামা (পুন্যাত্মা, হলি ম্যান) পুনর্জন্ম নিয়েছেন. সেই ছেলেকেই তারা পরবর্তী লামা হিসাবে পালন করেন আর গড়ে তোলেন. শিশুটি একটু বড় হলে তাঁর বাবা-মায়ের থেকে নিয়ে এসে বৌদ্ধিস্ট ভাবধারায় মানুষ করা হয়. বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই প্রথাই হল তিন জ্ঞানী পুরুষের গল্পের ভিত্তি. এবং এটাই বিশ্বাস করা হয় যে, যীশু তাঁর ১৩ বছর বয়সে ভারতে এভাবেই আনা হয় আর বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষিত করা হয়. এই সময়ে বৌদ্ধ ধর্ম প্রায় ৫০০ বছরের পুরানো হয়ে গিয়েছিল আর, ক্রিশ্চানিটির সূচনাও হয়নি. অসলে ১৮৮৭ সালে তীব্বতের লে শহরে হেমিস মন্টেসারির (Hemis monastery) বৌদ্ধ ভীক্ষুদের লাইব্রেরি তে পাওয়া তীব্বতি ভাষায় লেখা কিছু পুরোনো পুঁথি থেকে জানা যায় যীশু প্রথম শতাব্দিতে ইসরায়েলের এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহন করেন. বৌদ্ধ সন্তরা তাঁকে ভগবানের সন্তান হিসাবে দেখতেন এবং তাঁকে পবিত্র বৌদ্ধ ধর্মগ্রথ পাঠ করান ঐ ১৩-২৯ বছর সময় কালে. পুরোনো পুঁথিগুলি এটাও দাবী করে যে যীশু পূর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন আধ্যাত্মিকতার চূড়ান্ত মার্গে পৌঁছানোর সুযোগ পেয়েছিলেন. তিনি যেকোনো দালাই লামার চেয়েও আধ্যাত্মিকতায় অনেক এগিয়ে গিয়েছিলেন. বৌদ্ধ মতে যীশুর এই জীবনি থেকে হারিয়ে যাওয়া সময় আর ভারতে সময় কাটিয়ে মধ্য প্রাচ্যে ফিরে যাওয়ার পরে সেই মৃত্যু মিলিয়ে দেয় যীশুর জীবন থেকে হারিয়ে যাওয়া সময়. হেমিস মন্টেসরির এক সিনিওর লামার মতে যীশু তীব্বত, কাশ্মীর ভ্রমন করেছিলেন. এবং যীশু বৌদ্ধ জ্ঞান ও ভাবধারায় উদ্দীপিত হয়েছিলেন. হেমিস মন্টেসরির প্রধান, যিনি দ্রুপকা বৌদ্ধিস্ট সেক্টরেরও প্রধান, তিনিও এই মতবাদ সমর্থন করেন. তার মতে যীশু অনেক ভারতীয় শহর পরিভ্রমন করেন. বেনারস, পুরি, রাজগৃহ (রাজগীর, বিহার) ছিল সেই ভ্রমন তালিকায়. সবাই জেসাসকে খুব ভালোবাসত, কারন, তিনি সাধারন চাষী, প্রান্তিক মানুষজনেদের সাথে শান্তির সাথে বাস করতেন আর তাঁদের নানা উপদেশ দিতেন বা সাহায্য করতেন. তাঁর ভারতের বেনারস, পুরি, রাজগৃহ প্রভৃতি প্রাচীন শহরে জ্ঞানদানের জন্য ব্রাম্ভন সম্প্রদায়ের মানুষ রুষ্ট হন, ফলে তিনি বাধ্য হয়ে হিমালয়ের দিকে চলে যান এবং আরো ৬ বৎসর বৌদ্ধ ধর্ম স্টাডি করেন.

হোলগার কার্স্টেন (Holger Kersten – জার্মান ঐতিহাসিক) যীশুর ভারতে কাটানো নিয়ে ‘জেসাস লিভড ইন ইন্ডিয়া’ বইতে লেখেন, ‘বালকটি সিন্ধে এসেছিলেন ব্যবসায়ীদের সাথে এবং আর্য্যদের সাথে বসবাস শুরু করেন. উদ্যেশ্য নিজেকে সঠিক ভাবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন বৌদ্ধ ধর্মের ছত্র ছায়ায়. তিনি সিন্দু প্রদেশের পঞ্চনদীর তীরে ব্যাপক ভাবে পরিভ্রমন করেন এবং কিছুদিন জৈনদের সাথেও কাটান পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে যাওয়ার আগে.

বিবিসি ডকুমেন্টারি তে বিশেষজ্ঞরা দেখিয়েছেন, যীশু ক্রুসিফিকেসন থেকে পালিয়ে বেঁচেছিলেন তাঁর মিড-লেট তিরিশে এবং ফিরেছিলেন তাঁর ভালোবাসার জায়গায়. তিনি কেবল মৃত্যু এড়িয়ে যাননি, তিনি ইহুদী মানুষজনেদের সাথে আফগানিস্থানে পালিয়ে এসেছিলেন, যারা ইহুদী সম্রাট নেবুচাডনেজারের থেকে পালিয়ে বাচছিলেন. স্থানীয় মানুষজন বলেন, জেসাস এরপরে বাকি জীবন কাশ্মীর উপত্যকায় ছিলেন. উনি ৮০ বৎসর বেঁচেছিলেন. প্রথম জীবনের ১৬ বছর আর শেষ জীবনের প্রায় ৪৫ বছর নিয়ে প্রায় ৬১-৬৫ বছর তিনি ভারত, তীব্বতে কাটিয়েছিলেন. স্থানীয়দের বিশ্বাস, মৃত্যুর পরে তাঁকে শ্রীনগরের ‘রোজা বাল স্রাইন’এ সমাধিস্থ করা হয়.

যিশু সম্পর্কে জানা না-জানা তথ্য

বৌদ্ধদের মতে যীশু ভারতের ব্রাহ্ম্মণ্যবাদের জেরে তিব্বতে পালন এবং সেখানেই থেকে যাবেন বাকি মনাস্টেরী তে কারন লামাদের হেমিস মন্টেসারিতেই থেকে যেতে হত। যদি ধরি ধর্ম প্রচারের জন্য ভারতে এসেছিলেন, যা বৌদ্ধরা বলেনা, সেক্ষেত্রে বৌদ্ধ ধর্মই প্রচার করবেন, যা লামারা করেন, নিজের কোনো স্বকীয় মতবাদ নয়. বৌদ্ধদের মতে বৌদ্ধ ধর্ম কিন্তু যীশু প্রচার করেননি. আবার ক্রিশ্চান ধর্মও প্রচার করেননি, কারন, ভারতে ক্রিশ্চানিটির প্রসার কিন্তু ২০০০ বছর আগে হয়নি. মানে যীশুর বাস্তব অস্তিত্ব বৌদ্ধিস্টদের কথা অনুযায়ী মিথ্যে হয়ে যায়. আর অবিশ্বাস্য লাগে ২০০০ বছর আগে মনুষ্য বসতি এত স্বল্প ছিল না যে এক নবজাতক পেতে জেরুজালেম পর্যন্ত যেতে হবে. যীশুর সমাধির কোনো বাস্তব সত্যতা নেই. ১৩-২৯ এ হারিয়ে যাওয়ার গল্প বানিয়ে এমন প্রমান করার উদ্দেশ্য হতে পারে, বৌদ্ধিস্টরা ক্রিশ্চানিটি যে তাঁদের ধর্মের অংগ, তা দেখাতে চেয়েছেন। এও এক অস্ত্র হীন ভাবে মানে অহিংস ভাবে ধর্ম প্রচার বা ধর্মের মাহাত্ম দেখানোর প্রকৃষ্ট পন্থা! তাই বৌদ্ধিস্টদের এই অপপ্রচারের কোনো সত্য ভিত্তি নেই।

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

@স্বপ্নের ছেঁড়া ডাইরির একটা পাতা …..

রেফারেন্স হেল্প ইন্টারনেট …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *