মাদ্রাসা বোর্ডের ছাত্রছাত্রীদের অমান্যতা মানবে না এস আই ও

SHARES
Share on FacebookShareTweet on TwitterTweet

তরুনা মণ্ডল

সাম্প্রতিক কালে ভারতের যোগাযোগ মন্ত্রকের পোস্টাল বিভাগ তাদের গ্রামীণ ডাকসেবক নিয়োগের ক্ষেত্রে ‘পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদ’ হতে দশম শ্রেণী উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীদের বঞ্চিত করেছে। যেখানে ২৫ আগস্ট ২০১৭ সালের বিজ্ঞপ্তিতে মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদের ছাত্রছাত্রীরা আবেদন করেছে; কিন্তু ৮ আগস্ট ২০১৮ তে পোস্টাল বিভাগ নতুন করে বিজ্ঞপ্তি দেয়, যেখানে রাজ্যসরকার স্বীকৃত অন্যান্য বোর্ড থাকলেও মাদ্রাসা বোর্ডকে রাখা হয়নি। এক্ষেত্রে ‘স্টুডেন্টস ইসলামিক অর্গানাইজেশন অফ ইন্ডিয়া, ওয়েস্ট বেঙ্গল জোন’-এর দাবি, এক্ষেত্রে মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদ হতে দশম শ্রেণী উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীদের মান্যতা দেওয়া হচ্ছে না।

এবিষয়ে তাঁরা বৃহস্পতিবার একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেন। যেখানে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার রাজ্য সভাপতি ওসমান গনি, সংস্থার রাজ্য সম্পাদক ইমাম হোসেন, সংস্থার সংগঠন সম্পাদক খালিদ আলী প্রভূত। উক্ত বৈঠকে তাঁরা বলেছেন, কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী রাজ্য সরকারের অনুমোদন প্রাপ্ত সকল বোর্ড গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার কথা; তাহলে পরবর্তীতে কার নির্দেশে কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রকের সংশোধনী বিজ্ঞপ্তিতে মাদ্রাসা বোর্ডের শংসাপত্রকে মান্যতা দেওয়া হল না? এব্যাপারে তাঁদের দাবী রাজ্য সরকার মাদ্রাসা বোর্ডের অনুমোদনের ব্যাপারে তাঁদের অবস্থানটি যেন পরিষ্কার করে দেয়। এছাড়াও তাঁরা প্রশ্ন করেন যে, মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদ এখনও কেন উচ্চতর পর্যায়ে মামলা করেনি!

তাঁরা আরো বলেন, ৫৭৭৮ টি পদ সম্বলিত বিশাল কর্মক্ষেত্র থেকে মাদ্রাসা উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। ৬১৪ টি মাদ্রাসা থেকে দশম উত্তীর্ণ পড়ুয়াদের এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে তাঁরা ১৪ জন চাকরি প্রার্থীকে নিয়ে সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল(ক্যাট) কোর্টে মামলা করেছেন এবং তাঁরা সকলেই আবেদনের সুযোগ পেয়েছে। এছাড়াও সকল ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে প্রয়োজনে তাঁরা ভবিষ্যতে উচ্চপর্যায়ে মামলা করবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন।

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *