দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি সহ রেল বঞ্চনার প্রতিবাদে পদযাত্রায় তৃণমূল

SHARES
Share on FacebookShareTweet on TwitterTweet

প্রলয় সামন্ত: সোমবার খড়গপুর শহরের বড়বাত্তি থেকে গোলবাজার ভাণ্ডারিচক পর্যন্ত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও রেলের বঞ্চনার প্রতিবাদে তৃণমূলের পক্ষ আয়োজন করা হয় বিশাল পদযাত্রার। যেখানে পা মিলিয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অজিত মাইতি,খড়গপুর এর পৌরোপিতা প্রদীপ সরকার,রবিশঙ্কর পান্ডে,মানস ভূঁইয়া,দেবাশীষ চৌধুরী, (প্রাক্তন পৌরোপিতা) জহর পাল,শেখ হানিফ,নির্মল ঘোষ সহ বহু সম্মানীয় নেত্রীবৃন্দ।

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি সহ রেল বঞ্চনার প্রতিবাদে পদযাত্রায় তৃণমূল
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি সহ রেল বঞ্চনার প্রতিবাদে পদযাত্রায় তৃণমূল

পদযাত্রা টি গোলবাজারে এসে পৌঁছালে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখা হয়।অজিত বাবু তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন ” আজকের এই বৃহৎ মিছিল এবং পথসভা দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে নীরব মোদি যে ভাবে ব্যাঙ্ক জালিয়াতি করে বিদেশে চলে গেছেন এবং যেভাবে নরেন্দ্র মোদি ভারতবর্ষের মানুষের টাকা আত্মসাৎ করে কোটিপতিদের সমৃদ্ধ করেছেন তারই বিরুদ্ধে আমাদের এই মিছিল। তাছাড়া নরেন্দ্র মোদি ও রেল জন বিরোধী।তবে চিন্তা করার কোনো দরকার নেই আমরা দ্রুত রেলের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামছি।”

এর পরে মঞ্চে বক্তব্য রাখেন মানস ভূঁইয়া তিনি বলেন ” এই খড়গপুর হলো একটি মিনি ইন্ডিয়া এটা আমরা সবাই জানি।এখানে সব জাতির মানুষের বসবাস। এখানে উপস্থিত মা,ভাই, বোনেদের আমার প্রণাম ভালোবাসা জানাই। এই খড়গপুর বাংলার গৌরব। সেই জায়গাতে পৌঁছে দিতে হবে সেই শপথ টা গ্রহণ করুন। এখন খড়গপুর আসতে মানুষ ভয় পাচ্ছে।কোথায় গন্ডগোল হয়ে যাবে।কোথায় আবার বড়ো তিলক কেটে ত্রিশূল ও তরোয়াল নিয়ে মিছিল হবে। হিন্দু মুসলমানদের ভারত,রাম রহিমের ভারত খড়গপুর এ এসে কুঁকড়ে গেছে। কেনো সেই প্রশ্ন আমি খড়গপুর এর মানুষের কাছে রেখে গেলাম। তাছাড়া খড়গপুর এ থেকে কেনো মানুষের মধ্যে বিভেদ করা একটি দল কে বেছে নিলেন কোন যন্ত্রনায়,কোন অভিমানে,কোন রাগে?
আমরা বাংলার জন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক।জন নেত্রীর হাত আমার,আপনার সবার মাথার ওপর রয়েছে।আমরা কোনোদিন মানুষের মধ্যে বিভেদ আনতে চাইনা। হিন্দু মুসলিম হলো ভাই ভাই।বাংলায় যে দল দুর্নীতি করছে দেখুন আপনারাই। ডুমুরের ফুলের মতো শুধু মঞ্চে এসে বড়ো বড়ো ভাষণ দিলে কিছু হয়না। কাজ করতে হয়। আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্রমশ উন্নয়ন করছেন। এই বাংলা একটি মডেল এ আকার নিয়েছে।”

সব শেষে মঞ্চে মা-মাটি-মানুষের পক্ষ থেকে স্লোগান এর সাথে সভার সমাপ্তি ঘটে। এই সভায় খড়গপুরের মানুষের জনসমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো।

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *