ভারতীয় ক্রিকেটের বেদনার তিন বছর

ভারতীয় ক্রিকেটের বেদনার তিন বছর
SHARES
Share on FacebookShareTweet on TwitterTweet

ওয়েব ডেস্ক : ক্রিকেটের ভগবান তিনি। দেড় কেজি ওজনের ভাড়ি ব্যাটে বিশ্বের তামাম বোলারদের শাসন করেছেন। ২৪ বছর ধরে যেন বিশ্বের সব মাঠকেই ঘরের মাঠ বানিয়ে নিয়েছিলেন ৫.৫ ফুটের এই মুম্বাইকর। ১৯৮৯-র ১৫ নভেম্বর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলা শুরু। এরপর চলতি সিরিজেই ১৮ ডিসেম্বর একদিনের ক্রিকেটে সুযোগ পান তিনি।

ভারতীয় ক্রিকেটের বেদনার তিন বছর
বিদায় বেলায় সচিন : ফাইলচিত্র

কথায় বলে রেকর্ড তৈরি হয় ভাঙার জন্য। ভারতীয় ক্রিকেটের বর্তমান অধিনায়ক তার অনেক রেকর্ডই ভেঙে দিতে পারেন। তবে ক্রিকেটে তিনি যে আধুনিকতার ছোঁয়া দিয়েছেন তা বিশ্ব ক্রিকেট মনে রাখবে। একদিনের ক্রিকেটে দ্বিশত রান করা যায় তা তিনিই প্রথম দেখিয়েছেন। এক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের (৬৭৩) নজির তার ঝুলিতে। বিশ্বের এক মাত্র ক্রিকেটার হিসাবে খেলেছেন ২০০ টি টেস্ট, করেছেন ১০০ টি সেঞ্চুরি। টেস্ট (১৫৯২১), একদিনের (১৮,৪২৬) ক্রিকেটে সর্বাধিক রানের মালিক তিনি। সবথেকে বেশিবার (৬) বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছেন, শেষবার (২০১১) স্বপ্ন পুরণ হয়েছে।

ভারতীয় ক্রিকেটের বেদনার তিন বছর
বিদায় বেলায় সচিন: ফাইলচিত্র

এমন বর্ণময় ক্রিকেট জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটেছিল তিন বছর আগে আজকের দিনে, ১৬ই নভেম্বর। ঘরের মাঠ ওয়াংখেড়েতেই ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে ক্রিকেট কে বিদায় জানিয়েছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। এক আবেগঘন মুহুর্ত। দু’দলের ক্রিকেটার রা দুদিকে দাঁড়িয়ে তাকে গার্ড অব অনার দিতে, মাথার সাদা হ্যাটটা হাতে নিয়ে এগিয়ে এলেন ২২ গজের দিকে, প্রণাম করলেন। ব্যাটিং করতে নামার সময়ও ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা গার্ড অব অনার দিলেন। অল্পের জন্য শতরান হতছাড়া হয়েছিল। তবু গোটা স্টেডিয়াম যে সেদিন শুধু তার। আউট করেও বিপক্ষ দলের সদস্যরা খুশি নন, হয়তো বলছেন আর কিছু সময় যদি ক্রিকেটের ঈশ্বরকে কাছে পাওয়া যেত। তিনি যখন প্যাভিলিয়নে ফিরছেন গোটা স্টেডিয়াম উঠে দাঁড়িয়ে কুর্ণিশ জানালেন তাকে, একজন শুধু ওঠেন নি। তিনি সচিনের মা, ছেলের ছবি হাতে অশ্রুধারায় ভেজালেন নিজেকে। ওই শেষবার উড়েছিল গায়ে তেরঙ্গা আর পিঠে ১০ আঁকা সুধির কুমারের সবচেয়ে বড়ো পতাকাটা। ক্রিকেট ইতিহাসে এক অধ্যায়ের অবসান ঘটেছিল সেইদিন।

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *