খাসতালুকেই বিক্ষোভের সামনে ব্যাকফুটে মুকুল

খাসতালুকেই বিক্ষোভের সামনে ব্যাকফুটে মুকুল
SHARES
Share on FacebookShareTweet on TwitterTweet

নিজস্ব সংবাদদাতা : বিজেপি তে যোগদানের পর প্রাক্তন দলের বিরুদ্ধে একের পর এক আক্রমন শানিয়েছেন তিনি, দাবী করেছেন প্রতি বুথে তাঁর অনুগামী আছে। প্রসঙ্গত রাজ্যের প্রতি ব্লকের কর্মীর সাথেই তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে সরাসরি যোগাযোগ রাখার দ্বায়িত্বও ছিলো তাঁর উপর তাই কনফিডেন্স লেভেল অনেকটাই বেশী সদ্য পদ্মে বিকাশিত মুকুলের, কিন্তু নিজের ঘরে তাঁর আধিপত্য কতটা অক্ষুন্ন সেই বিষয় ই উঠে এলো প্রশ্ন চিহ্ন।

সোমবার নৈহাটি তে বিজেপি পার্টি অফিস উদ্বোধন করতে এসে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে ব্যাকফুটে মুকুল রায়। দেখ রক্ষি রা সুরক্ষিত ভাবে সরিয়ে নিয়ে যান হতভম্ব নেতা কে। কিন্তু কতটা সুরক্ষিত তাঁর রাজনৈতিক ভিটে, উঠছে প্রশ্ন। এদিন মুকুল কে থামাতে সকাল থেকেই মাইকে মূখ্যমন্ত্রী ও অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক ভাষণ এলাকা জুড়ে মাইকে বাজানো হয়। এর পর একদা ‘নিজেদের নেতা’ মুকুল রায় এলাকায় ঢুকতেই কার্যত গো ব্যাক স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা। নিজের এলাকায় এ হেন হেনস্থায় কার্যত অস্বস্তিতে পড়ে যান স্বয়ং মুকুল রায়।

মুকুলের বিজেপি তে যোগদানের ও বিশ্ব বাংলা নিয়ে তোলা অভিযোগের জবাবী মঞ্চ থেকে তাঁকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে উত্তর ২৪ পরগণার অন্যতম হেভিওয়েট নেতা অর্জুন সিং বলেছিলেন “কাঁচড়াপাড়ায় ৭ টা আসনে বিজেপি এজেন্ট দিতে পারলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেবো”। মুকুল রায় বিজেপি তে যোগদানের পর জেলায় স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষমতা বেড়েছে বরাবর মুকুলের বিরুদ্ধ লবি হিসাবে পরিচিত অর্জুন সিং এর। নিজের চ্যালেঞ্জের স্বপক্ষে এদিনের ঘটনা বেশ ইঙ্গিতপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

প্রসঙ্গত মুকুল কে কাঁচড়াপাড়ার কাঁচা ছেলে” বলে কটাক্ষ করেছিলেন তৃণমূল মহা সচিব পার্থ চ্যাটার্জী ও। সেই কাঁচা ছেলে কেই পাকা খেলা দেখাতে মরিয়া ছিলো জেলা নেতৃত্ব যা অনেকাংশে সফলতা পায় এদিনের বিক্ষোভে। যদিও স্থানীন বিজেপি নেতৃত্ব এই ঘটনা কে আমল দিতে নারাজ। “স্থানীয় গুন্ডাদের দিয়ে ঝামেলা পাকানোর চেষ্টা করেছে তৃণমূল” বলে তারা ক্ষান্ত থাকলেও নিজের খাস তালুকে তাঁকে ঘিরে এই বিক্ষোভ অবশ্যই কপালে ভাঁজ ফেলেছে মুকুল রায়ের।

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *