ভাগাড় কাণ্ডের বিভ্রান্তি ক্রমেই জটিলতার দিকে

SHARES
Share on FacebookShareTweet on TwitterTweet

তরুনা মন্ডল

২০১৭ তে প্লাস্টিকের ডিম নিয়ে যে বিভ্রাট ঘটেছিল, ২০১৮ -এর এই ভাগাড় কাণ্ডকেও এখন থেকেই কিছুটা ওই একই বিভ্রান্তি বলে মনে করছেন একাংশের মানুষ। শুক্রবার এনিয়ে ‘গ্রাম ট্রাস্ট’ সংস্থার তরফ থেকে একটি সাংবাদিক বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠকে তাঁরা এই পুরো ভাগাড় কাণ্ডটাকেই একটি ‘গুজব’ বলে আখ্যা দেন।

বৈঠকের নেতৃত্বে ছিলেন, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী মানিক মণ্ডল (ফকির), সমাজ ও পরিবেশ কর্মী নব দত্ত এবং সমাজকর্মী কৌশিক ঘোষ প্রমূখ। বৈঠকের শুরুতেই তাঁরা জানান যে, তাঁরা মনে করেন খাবারে ভেজাল মেশানো একটি সাংঘাতিক অপরাধ, কিন্তু খাবার নিয়ে মিথ্যে গুজব ছড়িয়ে মানুষকে ভীতি প্রদর্শন করানোটা আরো বেশি অপরাধ। এখন প্রশ্ন এই অপরাধটা করছে কে বা কারা? এবিষয়ে তাঁদের বক্তব্য, ভাগাড়ের মাংস কাণ্ড নিয়ে বেশি রঙ চড়িয়ে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে কুৎসিত সংবাদ পরিবেশন করে চলেছে বেশ কয়েকটি তথাকথিত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া। তাঁদের দাবি, বিনা কোন প্রমানে তাঁরা বহু মিথ্যা খবর রটাচ্ছে, যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীগণ। কারণ মানুষ এখন মাংস খাওয়া বা কেনা সবটাই বন্ধ করে দিচ্ছে ধীরে ধীরে।

এবিষয়ে তাঁরা প্রশাসনকেও কিছুটা হলেও দায়ী করতে চেয়েছেন। কারণ মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাগাড় তুলে দিয়ে শশ্মান করার সিদ্ধান্তটিও কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে তাঁদের। এমনকি তাঁরা এদিন এও বলেছেন যে, যদি কোনরকম সঠিক তথ্য প্রমাণ ছাড়া এই বিষয়ে আরো কোন ভুলভাল তথ্য, বা কুরুচিকর ছবি সংবাদে আসে তাহলে তাঁরা এর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করবেন।

কিন্তু এখন বিষয় হচ্ছে, আমরা সকলেই জানি যে, যেটা রটে সেটা কিছুটা হলেও তো বটে। কাজেই এই পুরো বিষয়টির যতক্ষন না পুরোপুরি জট খুলছে ততক্ষণ পর্যন্ত ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে। কাজেই এবিষয়ে ‘গ্রাম ট্রাস্ট’ -এর এই দাবি কতখানি সত্য বা এর ভবিষ্যৎ আদতে কি হতে চলেছে সেব্যাপারে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *