আইলিগ মনিপুরে, কলকাতায় শুন্যতা

আইলিগ মনিপুরে, কলকাতায় শুন্যতা
SHARES
Share on FacebookShareTweet on TwitterTweet

নিজস্ব সংবাদদাতা: আঠারো টা ম্যাচ, দশটা দল, লড়াই, লিগ টেবিলে ওঠা-নামা, হাজার হাজার সমর্থকের স্বপ্ন, এই এত গুলো কথা যার সাথে যুক্ত তার নাম “আই লিগ”। ভারতীয় ফুটবলের সব থেকে বড়ো টুর্নামেন্ট। এই ট্রফি জেতার স্বপ্ন কার না থাকে ?

আইলিগ মনিপুরে,  কলকাতায় শুন্যতা
আইলিগ মনিপুরে, কলকাতায় শুন্যতা

একটা সময় এই ট্রফিটা কোলকাতা বা গোয়ার বাইরে খুব কমই যেত। যদিও কোলকাতার থেকে লিগ সম্পর্ক বিচ্ছেদ ঘটিয়েছেন বহুকাল আগেই। মাঝে মোহনবাগানের হাত ধরে সিকে ছিড়লেও ইষ্টবেঙ্গলে তা অধরা।

শেষ কয়েক বছরে সেই মিথটা বদলেছে। বেঙ্গালুরু, আইজলের মতো দলগুলো আবির্ভাবেই চমক দিয়েছে। সেই তালিকায় ২০১৭-১৮ আইলিগে নতুন সংযোজন মির্নাভা পাঞ্জাব। ২২ বছর পর ফের ভারতীয় ফুটবলের মুল স্রোতে পঞ্চনদের শহর। বাইচুংদের হাত ধরে জেসিটি প্রথমবার ভারতসেরা হয়েছিল, ২২ বছর পর খড়া কাটালো মিনার্ভা।
বৃহস্পতিবার শেষ হলো এই মরসুমের লিগ। এতোটা লড়াই খুব কম মরসুমেই লক্ষ করা গেছে। চারটি দল জয়ের দৌড়ে রইলো, কেউ একটু এগিয়ে; কেউ পিছিয়ে। শেষ ম্যাচ অব্দি অপেক্ষা করতে হলো চ্যাম্পিয়ন কে পেতে।

রঞ্জিত বাজাজের মিনার্ভা যোগ্য দল হিসাবেই লিগ নিয়ে গেল পাঞ্জাবে। মনিপুরের কোনো দল প্রথমবার লিগ জিতলো। শেষের ঠিক আগের ম্যাচে হেরে কিছুটা চাপে পড়লেও শেষ ম্যাচে চার্চিলের বিরুদ্ধে ঠাণ্ডা মাথায় ১-০ ম্যাচ বার করে নিল তারা।

চ্যাম্পিয়নসিপের দৌড়ে সবার আগে থাকা দলটি যখন পয়েন্ট নষ্ট করে বাকিদের সুযোগ করে দিচ্ছে, তখন সেই সুযোগকে হেলায় হারালো ইষ্টবেঙ্গল। চেন্নাইকে সাত গোল দেবার পর গুরুত্বপূর্ণ শেষ দুটি ম্যাচে পরপর ড্র।

ইষ্টবেঙ্গল ড্র করতেই সুযোগ আসে বাগানের সামনে। সেক্ষেত্রে বাগানকে শেষ ম্যাচ জিততেই হোতো। তারাও ড্র শেষ ম্যাচে, ডিপান্ডা দিকার গোলে এক পয়েন্ট পেয়ে তিনে শেষ করে মোহনবাগান।

কবে হুশ ফিরবে কলকাতার দলগুলোর ? কর্মকর্তাদের ? কলকাতার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের ওই বাড়ি টা বুঝেছে বুদ্ধ-বিমান দের মতো বুড়ো ঘোড়াদের অবশেষে ছেটে ফেলেছে বামেরা। কলকাতার আরেক প্রান্তে গোষ্ট পালের মূর্তির দুপাশের ক্লাব দুটোর কবে হুশ ফিরবে ? অঞ্জন-কল্যাণ রা

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *