নিরাপত্তা ভেঙে মুখ্যমন্ত্রীর সভামঞ্চে উঠে পড়লেন যুবতি

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে পশ্চিম বর্ধমানের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী
SHARES
Share on FacebookShareTweet on TwitterTweet

ওয়েব ডেস্ক : ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তাবলয় ভেঙে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভামঞ্চে উঠে পড়লেন যুবতি। মঞ্চে উঠে আচমকাই মুখ্যমন্ত্রীর পায়ের কাছে গিয়ে পড়লেন তিনি। অন্য দিক থেকে মঞ্চে ওঠার চেষ্টা করছিলেন তাঁর বোন। গোটা ঘটনায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী।

নিরাপত্তা ভেঙে মুখ্যমন্ত্রীর সভামঞ্চে উঠে পড়লেন যুবতি
নিরাপত্তা ভেঙে মুখ্যমন্ত্রীর সভামঞ্চে উঠে পড়লেন যুবতি

বৃহস্পতিবার উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদে মুখ্যমন্ত্রীর জনসভার মঞ্চে ঘটনাটি ঘটে। সূত্রের খবর, করণদিঘির ছাগলাকাটি গ্রামের বাসিন্দা ওই দুই যুবতি। দুই বোনের নাম রাবেয়া ও আমেরা খাতুন।
ঘটনার পর তাদের পাকড়াও করেন নিরাপত্তাকর্মীরা।

তারা জানান , ৯ বোন ও ১ ভাইয়ের সংসারে জমি সংক্রান্ত বিবাদে ২০১৫ সালে খুন হন তাঁদের বাবা শেখ মফিজউদ্দিন। ওই ঘটনায় চার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারপর জেলা প্রশাসনের তরফে পরিবারের একমাত্র ছেলের রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে গার্ডের চাকরির ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়।

তবে, বাবার খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আজ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার চেষ্টায় নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশের চোখ এড়িয়ে রাবেয়া মঞ্চে উঠে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চলে যান।

সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে গিয়ে ধরে ফেলেন নিরাপত্তারক্ষীরা। সেই সময় আমেরা মঞ্চে ওঠার চেষ্টা করলে তাঁকে মঞ্চের নীচেই আটকে দেন নিরাপত্তারক্ষীরা। মঞ্চে বক্তব্য রাখাকালীনই আচমকা এই ঘটনায় থমকে যান তিনি। পরে বক্তব্য শেষ করে জেলাশাসকের সঙ্গে কথা বলেন। জানতে পারেন, ওই দুই যুবতির পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার পাশাপাশি গীতাঞ্জলি প্রকল্পে তাঁদের ঘরও দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এরপর মঞ্চ থেকে বলেন, “ওই যুবতিদের পরিবারের একজনকে চাকরি ও ঘর দেওয়া হয়েছে। এভাবে এসে কিছু পাওয়া যাবে না।” 

এদিকে রাবেয়া বলেন, “বাবার খুনিদের বিচার চাইতে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে যেতে চেয়েছিলাম।”

যদিও, কীভাবে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় ভেঙে দুই যুবতি মঞ্চের কাছে চলে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে।

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

Related Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *