ব্যাতিক্রমী বিয়ের সাক্ষী নরেন্দ্রপুর

ব্যাতিক্রমী বিয়ের সাক্ষী নরেন্দ্রপুর
SHARES
Share on FacebookShareTweet on TwitterTweet

ওয়েব ডেস্ক : বিয়ে, যা দুজন মানুষকে কেন্দ্র করে দুটি পরিবারের মিলন। বিয়ের আচার অনুষ্ঠান বলতে গেলে প্রচলিত রীতি নীতির কথাই মনে পড়ে। কিন্তু যদি এই প্রচলিত রীতিকে সরিয়ে নতুন কিছু ভাবা হয়। যদিও মনে হতেই পারে নতুন আচার অনুষ্ঠান কিকরে সম্ভব।
তবে জানিয়ে রাখি নতুন ভাবনা কেই সাক্ষী করে গাঁটছড়া বাঁধলেন অন্বিতা জনার্দন এবং অর্ক ভট্টাচার্য। তাদের নতুন জীবনে নতুন ভাবে প্রবেশের পথে সাহায্য করলেন সংস্কৃতের প্রাক্তন অধ্যাপিকা নন্দিনী ভৌমিক ও সহকর্মীদের একটি দল ।

ব্যাতিক্রমী বিয়ের সাক্ষী নরেন্দ্রপুর
ব্যাতিক্রমী বিয়ের সাক্ষী নরেন্দ্রপুর

নতুন অধ্যায়ের সাক্ষী থাকল নরেন্দ্রপুর।ব্যতিক্রমী এই বিয়েতে ছিল না কন্যাদান, পিঁড়ি ঘোরানো, কনকাঞ্জলির মতো রীতি।বিবাহ সম্পূর্ণ হয় বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদসহ সংস্কৃত মন্ত্রের মাধ্যমে। পাশাপাশি ছিল মন্ত্রের মাঝে রবীন্দ্রসঙ্গীত। সম্পু্র্ন পুরাণমতে এই বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। কলকাতার প্রথম মহিলা পুরোহিত সম্ভবত বেদ বিশেষজ্ঞ গৌরী ধর্ম পালের শিষ্য নন্দিনী |

নন্দিনীদেবীর এই অভিনব প্রয়াসে সাড়া দিতে এগিয়ে এসেছেন আরো এক পরিবার । যারা পুরান মতে তাদের মেয়ের বিয়ে দিতে চান। ঐ পরিবার তাদের মেয়েকে ‘দান’ হিসেবে শ্বশুরবাড়ি পাঠাতে চান না । এতদিনের চলে আসা প্রথা ভেঙে নতুন রীতি যে একটু একটু করে হলেও নবীন প্রজন্মের মধ্যে সূচিপ্রয়োগ হচ্ছে,এতেই খুশি নন্দিনী ও তাঁর সম্প্রদায় । লোকাচার দূর করে বৈদিক আবহ ফিরিয়ে আনছেন নন্দিনীদেবীর মতো অগ্রণীরা |

নন্দিনী দেবী বলেন, বৈদিক শাস্ত্রে কোথাও বলা নেই যে মহিলারা পৌরহিত্যে ব্রাত্য। বরং ঋক বৈদিক যুগে পুরুষদের পাশাপাশি সমান তালে পৌরহিত্য করেছেন গার্গী অপালা মৈত্রেয়ী লোপামুদ্রার মতো বিদুষীরা | যদিও এখন পৌরহিত্যে ব্রাত্য মহিলারা | বেদে কোথাও বলা নেই পুরোহিতকে পুরুষ বা ব্রাহ্মণ হতে হবে | বৈদিক পৌরহিত্যের আদি ও একমাত্র শর্ত হল সঠিক অর্থ উপলব্ধি করে উচ্চগ্রামে স্পষ্ট উচ্চারণে মন্ত্রপাঠ | সেটাই দেখা যায় না সাম্প্রতিক পৌরহিত্যে |

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *