রূপান্তর যখন মানব থেকে কু-মানবে

SHARES
Share on FacebookShareTweet on TwitterTweet

সুরূপা রায় : কোনো কাজ তাড়াতাড়ি করিয়ে নিতে হলে ঘুষ তো দিতেই হয়। এবং ঠিক সেভাবেই অপর পক্ষকে ঘুষ নিতেও হয়। কিন্তু সরকার বাবু নিজের মানবিকতা ভুলে কিছু পশু প্রবিত্তির মানুষের কাছে মাথা নোয়াতে একেবারেই নারাজ। মানুষের কুকুর বেশ তার কাছে একেবারেই গ্রহণীয় নয়।

whatsapp-image-2017-11-07-at-2-18-48-pm-1

কম্প্রোমাইজ কথাটা কোথাও না কোথাও ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে গেছে অধিকাংশ জীবনের সাথে। কখনো লোভে পড়ে কখনওবা জীবন যুদ্ধ জিততে এটা এখন একটা ফ্যান্টাসি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঘুষ না নেওয়ায় সরকারী চাকুরে হওয়া সত্বেও এখনো নিজের একটা ফ্ল্যাট কিনতে পারেননি। তাছাড়া আরো একটা কারন হলো চাকুরী জীবনে তিনি মোট মিলিয়ে আঠারো বার বদলি হয়েছেন। যখনই তিনি কোনো গোলমেলে ফাইল আবিস্কার করেন যাতে তিনি কাজে বাধা না দিতে পারেন তাকে সেই জায়গা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।কোনো জায়গাতেই স্থির ভাবে বসবাস করা হয়ে ওঠেনা। কারন তিনি মানুষ বলে কুকুরের মত প্রভুভক্ত হয়ে উঠতে পারেননি।দেবগন তাদের নতুন আবিষ্কৃত ওষুধ এক্সপেরিমেন্ট করার জন্য তাকেই আদর্শ মানুষ হিসাবে নির্বাচন করেন। এবং তাকে রাজিও করিয়ে ফেলেন ওষুধ টা খাওয়ার জন্য। যদিওবা তার স্ত্রী রাজি ছিলেন না তাও অনেক ভাবনা চিন্তার পর, তিনি ওষুধ খাবেন বলে ঠিক করেন। মানব থেকে তিনি হয়ে যান কু-মানব। অর্থাৎ কুকুরের মত প্রভুভক্ত মানব।

কিন্তু মানুষ কি কোনভাবেই কুকুর হতে পারে। সরকার বাবুও পারেননি। শেষে তিনিও ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেন। যারা তাকে সহ্য করতে পারতেন না তারাও তার পা চাটতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু তিনি বা তার স্ত্রী কেউই এই পরিবর্তনটা মেনে নিতে পারেননি। তার স্ত্রীও চাইছিলেন তার আগের স্বামীকে ফিরে পেতে।ঘুষ ছাড়া নতুন জীবনের পূনরাবৃত্তি হয়। শুরু হয় কু-মানবকে মানুষে রূপান্তরিত করার এক্সপেরিমেন্ট। তার স্ত্রীর আর চাইনা এক্সপেরিমেন্ট, আর চাইনা সুখ, আর চাইনা ঐশ্বর্য, মানসিক শান্তির তাদের কাছে গ্রহণীয়তা বেশী।তাতেই শান্তির বানী ছড়াবে চারিদিকে। জগৎ হবে শুদ্ধ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *