জমি বিবাদ কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেবলপুরে

জমি বিবাদ কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেবলপুরে
SHARES
Share on FacebookShareTweet on TwitterTweet

প্রলয় সামন্ত : খড়গপুরের দেবলপুর ৫ নং ওয়ার্ড-এর কালকাটি এলাকার জমি নিয়ে বিবাদ বহুদিনের। জমি নিয়ে ঝামেলা চলছেই।

জমি বিবাদ কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেবলপুরে
জমি বিবাদ কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেবলপুরে

ওয়ার্ডের সেক্রেটারি আরিব রহমান জানান, ” আমরা এখানে এসে দেখছি বিপুল সংখ্যক পুলিশ নিয়ে কাজ করানো হচ্ছে।একটা কেস ও আছে এই জমি নিয়ে।যিনি কেস করেছেন তিনি পয়সাও জমা করে দিয়েছেন জমির জন্যে সেটা কোর্টেও জমা পড়ে গেছে। দুই পার্টি নিয়ে একটা ক্লেম চলছে।তাদের মধ্যে একটা ক্লাবও আছে। হঠাৎ দেখছি বিশাল পুলিশ এসে সামনে দাঁড়িয়ে কাজ করানো হচ্ছে।আমার একটা দায়িত্ব আছে জিজ্ঞাসা করা যে কেন এই কাজ হচ্ছে আর কি অর্ডার নিয়ে কাজ করানো হচ্ছে?আমি ওয়ার্ক অর্ডার চাইলে সেই বিষয় নিয়েই আমার সাথে তর্ক করছে পুলিশ।আমায় পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, আমি কেন এই সব জিজ্ঞাসা করবো। কিন্তু আমার অধিকার আছে জিজ্ঞাসা করার।
পুলিশ একতরফা সাপোর্ট করছে।কোনো অর্ডার নেই তার পর ও কেনো খড়গপুর টাউন থানার আইসি-র সাথে এত পুলিশ বাহিনী আসবে কেন? এই কথা বলতেই আমাকে চমকাতে থাকে পুলিশ।”

পাশাপাশি তিনি জানান, এবিষয় ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের স্বামীর মহম্মদ আনিস এর সঙ্গে যোগাযোগ করলে উনি বলেন, “৭২৮ এর দাগে ৯ ডিসমিল জায়গা ছিলো।জায়গা টা ছিলো বি.টি রায় এর। তারপর বি.টি রায় জায়গাটি বিক্রি করে দেয় সালিয়া বেগমকে। আইন হিসাবে কাজ করতে গেলে মিউনিসিপ্যালটির একটা পারমিশন দরকার। কিন্তু কোনো পারমিশন নেই। নিজের জায়গা নিজেই চিনতে পারছেন না তিনি। আমি কোর্টের কোনো অর্ডার আছে কিনা দেখতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমাকে দেখায়নি।”

জমি বিবাদ কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেবলপুরে
জমি বিবাদ কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেবলপুরে

স্থানীয় বাসিন্দা শেখ ইনসানের কথায় “জায়গাটা ১৯৭৯ তে কেনা হয়েছিলো আমার বাবা শেখ সমীর জীবিত থাকাকালীন। সেই সময় বি. টি রায় নামে একজন মহিলা জায়গাটি কিনেছিলেন শ্রী ব্রম্হচারী আশ্রম করবেন বলে। আমাদের বলেছিলেন যে আমরা যেন জায়গাটা দেখাশুনা করি।আর তাতে যেন কেউ হস্তক্ষেপ না করে। ১৯৭৯ থেকে আজ পর্যন্ত দেখাশুনা করে আসছি। এলাকার ছেলেরা একটা ক্লাব ঘর করার জন্য ১ ডিসমিল জায়গা চাইছে বলে জানালে উনি রাজিও হয়ে যান পরিবর্তে ৫০ হাজার টাকা নেবেন বলে জানান। কিন্তু কিছুদিন পরেই একজন সায়েন্টিস্ট আকমল হোসেন সাথে এই জায়গা নিয়ে ডিল হয়ে যায়। এই নিয়ে বিবাদ চলতে থাকে।”

আর এই খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হলেন খাস খবরের জেলা প্রতিনিধি প্রলয় সামন্ত। পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি হয় কিছু মানুষের, ছবি তুলতে বাধা দেওয়া হয়। হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হয় মোবাইল, সব ভিডিও ডিলিট করতে বলেন পুলিশ। তারই সাথে মেলে হুমকি। কয়েকজন মহিলা পুলিশ আইসি কে বলেন ” স্যার ছবি তুলছে কিছু বলুন।সেই মুহূর্তে আইসি বলেন যা ইচ্ছ করুক।আমার কিছু যায় আসেনা।”

একের পর এক নিগ্রহের ঘটনা ঘটছে সাংবাদিকদের সাথে ।কিন্তু সব কিছু দেখা,শোনা, বোঝার পর ও প্রশাসন মুখে কুলুপ আর চোখে কালো কাপড় বেঁধে অন্ধ কানুনের মতোই দাঁড়িয়ে আছে। কী বলবে প্রশাসন? গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে কবে সম্মান পাবে সংবাদমাধ্যম?

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *